মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে গতকাল ২১ ফেব্রুয়ারি যে সভা অনুষ্ঠিত হয় সে সভার অনুবৃত্তিক্রমে আজ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপি রাজনৈতিক ইতিহাসে সর্বোচ্চ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। আর এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই হচ্ছেন, এটা নিশ্চিত। কিন্তু তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার আকার কত বড় হবে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হলেও রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার
ফরিদপুর–২ (সালথা–নগরকান্দা) আসনে ১৯টি ভোটকেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শামা ওবায়েদ এগিয়ে আছেন অধিকাংশ কেন্দ্রে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে ১৬টিতে ধানের শীষ প্রতীক সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছে। বাকি ৩টি কেন্দ্রে
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা ভোটের ফলাফলে এগিয়ে আছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ৪৫টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত ৪৫ কেন্দ্রে
পঞ্চগড়-১ আসনের ১৫৫টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ২০টি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ২২ হাজার ১৩৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নওশাদ জমির। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক
ঢাকা-১৫ আসনের (মিরপুর-কাফরুল) প্রাথমিক ফলাফলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এগিয়ে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ৩টি কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি ২৬৪৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী
যাত্রাবাড়ী-ডেমরা ও শীতলক্ষ্যার পাড়ে নতুন ইপিজেড স্থাপন করার কথা বলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ছবি: সংগৃহীত আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি হিসেবে বিএনপি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সব স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে