1. chikaaproditacute577@gmail.com : AdminZer0 :
  2. kt_mattbarden@falderewonek.site : kandicorrie222 :
  3. ympbsnjw@bekommenmail.com : NARTYTRYUT1414339NEYHRTGE :
  4. probe23200@test.local : probe23200 :
  5. probe41600@test.local : probe41600 :
  6. pavlov-9ao9i@rambler.ua : SteveGaunk :
  7. admin@wordfence.com : wordfence :
  8. info@www.dhaka18news.com : DHAKA 18NEWS :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন

ফুটবলের মাঠ থেকে মাফিয়া টিটন, সন্ত্রাসীর গুলিতেই জীবনাবসান

অনলাইন ডেস্ক:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

এক সময় যশোরে ফুটবলার হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। পরে হয়ে ওঠেন অপরাধ জগতের মাফিয়া। জায়গা করে নেন দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তালিকায়। দীর্ঘ কয়েক দশকের অপরাধজগতের নিয়ন্ত্রণ, হত্যা-সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি আবার কখনো কারাগারে কাটানো জীবন শেষ হলো গুলিতেই। রাজধানী ঢাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাইম আহমেদ টিটনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে যশোরে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বাদ এশা যশোর শহরের কারবালা জামে মসজিদে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। টিটনের বাড়ি যশোর শহরের খড়কী ‘আপনের মোড়’ এলাকায়। তিনি সাবেক জুটমিল কর্মকর্তা খন্দকার ফখরুদ্দিনের ছেলে। একই সঙ্গে ২০০০ সালে র‍্যাবের কথিত ক্রসফায়ারে নিহত আলোচিত সন্ত্রাসী টুটুলের ছোট ভাই।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় সশস্ত্র হামলায় নিহত হন টিটন। প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে তাকে লক্ষ্য করে কাছ থেকে ৫-৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় সূত্র বলছে, সাত ভাই ও পাঁচ বোনের বড় পরিবারে বেড়ে ওঠা টিটন খুব অল্প বয়সেই অপরাধজগতে জড়িয়ে পড়েন। তার বড় ভাই টুটুলের সঙ্গে ভগ্নিপতি, ঢাকার আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজেদুল ইসলাম ইমনের মাধ্যমে তাদের অপরাধ জগতে প্রবেশ।

৯০-এর দশকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও পরে টিটন ও টুটুল অস্ত্র ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৯৬ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা ঢাকায় চলে যান এবং মোহাম্মদপুরকে কেন্দ্র করে নিজেদের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। যশোর-ঢাকা দুই জায়গাতেই ছিল তাদের শক্ত অবস্থান।

পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রের তথ্যমতে, হত্যা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ একাধিক অভিযোগ ছিল টিটনের বিরুদ্ধে। ২০২১ সালে প্রকাশিত দেশের ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় তার অবস্থান ছিল দ্বিতীয়।

সূত্র জানায়, স্থানীয় বিরোধের জেরে ১৯৯৯ সালে টুটুল ও টিটন যশোরের কারবালা এলাকায় মাত্র দশ মিনিটের ব্যবধানে বিএনপি কর্মী মোসলেম উদ্দিন খোকন ও টিপুকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেন। জোড়া এই হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস পর ২০০০ সালে  র‌্যাবের কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন টুটুল। সে সময় ঢাকায় পালিয়ে যান টিটন। তারপর থেকে তিনি বেশিরভাগ সময় ঢাকাতেই থাকতেন। তবে, ঢাকায় গিয়ে অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণকর্তা বনে যাওয়া টিটনকে মাঝেমধ্যে যশোরেও দেখা যেত সে সময়।

টিটনের মৃত্যুর পর জানাজায় অংশ নিতে আসা যশোরের সাবেক খেলোয়াড় ও রেফারি লাবু জোয়ার্দার স্মৃতিচারণ করে বলেন, টিটন এক সময় ভালো ফুটবল খেলতেন। ৯০-এর দশকে এ অঞ্চলের ফুটবলে পরিচিত মুখ ছিলেন তিনি। তার দাবি, একাধিক রাজনৈতিক হামলার শিকার হওয়ার পর প্রতিশোধপরায়ণতা থেকেই টিটনের অপরাধজগতে প্রবেশ।

বহুবার গ্রেপ্তার হলেও টিটন দীর্ঘদিন ধরেই ছিলেন আড়ালে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ঢাকা কারাগার থেকে মুক্তি পান বলে জানা যায়। এরপর আবারও অপরাধ জগতে সক্রিয় হন।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান বলেন, শুনেছি নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন যশোরের বাসিন্দা। তবে আমি নতুন দায়িত্ব নেওয়ায় তার বিরুদ্ধে যশোরে কী মামলা আছে, তা এখনই নিশ্চিত বলতে পারছি না।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, 𝐃𝐇𝐀𝐊𝐀 𝟏𝟖𝐍𝐄𝐖𝐒—এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সমস্ত লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট "𝐃𝐇𝐀𝐊𝐀 𝟏𝟖𝐍𝐄𝐖𝐒"—এর মালিকানাধীন এবং কপিরাইট আইনের আওতাভুক্ত। অনুমতি ছাড়া কনটেন্ট কপি, ব্যবহার, বিতরণ বা পুনঃপ্রকাশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। তবে যদি কোনো লেখা, ছবি বা তথ্যের ওপর আপনার স্বত্বাধিকার দাবি থাকে, তাহলে অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট